এস,এম রাহাত হোসেন ফারুক, রাজবাড়ী প্রতিনিধি ঃ মসলা জাতীয় ফসল উৎপাদনে বিখ্যাত এলাকা হিসেবে পরিচিত রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক জমিতে পিঁয়াজের আবাদ হবে। কৃষকরা তীব্র শীত উপেক্ষা করে পিয়াজের চারা রোপনে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন।
পিঁয়াজ রোপনকারী কৃষক ওয়াহেদ আলী, আলাউদ্দিন, জাহিদুর, আকমল হোসেন বলেন, উপজেলার নারুয়া, ইসলামপুর, নবাবপুর, বহরপুর, জামালপুর, বালিয়াকান্দি, জঙ্গল ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামের মাঠেই চলছে পিঁয়াজ চারা রোপনের মৌসুম। প্রতিদিন ভোর থেকেই পিঁয়াজের চারা উত্তোলনের পর মাঠে জমিতে রোপন করা হয়। প্রতিজন প্রতি ৫শত ৫০ টাকা থেকে ৬শত টাকা করে প্রদান করা হচ্ছে। সবোর্চ্চ বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত পিঁয়াজ রোপনের কাজ করা হয়। তারপর আর কেউ মাঠে থাকে না। কয়েকদিনের প্রচন্ড শীতের কারণে পিঁয়াজ রোপনকারীদের একটু অসুবিধা হচ্ছে। ১ কেজি দানার পিঁয়াজ চারা ২৫-৩০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। জনের দাম বেশি ও পিঁয়াজ চারার দাম বেশি হলেও কৃষকরা জমি খালি না রেখে পিয়াজ চারা রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছে। অনেকের পিঁয়াজ রোপন ইতিমধ্যেই শেষ করেছেন। তবে আগামী ১৫ দিনের মধ্যেই এ অঞ্চলে পিঁয়াজ চারা রোপন করা শেষ হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুত্রে জানাগেছে, গত বছর ৮হাজার হেক্টর জমিতে পিঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়। এ বছর সাড়ে ৮ হাজার হেক্টর জমিতে পিয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে সাড়ে ৬ হাজার হেক্টর জমিতে পিয়াজ রোপন করা হয়েছে। আশা করছি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে পিয়াজ চাষ হবে।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ সাখাওয়াত হোসেন জানান, উপজেলাতে আবহাওয়ার অনুকুল পরিবেশ থাকার কারণে চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক জমিতে পিঁয়াজের চাষ হবে। এ অঞ্চলে তাহেরপুরী, ফরিদপুরী, লালতীর কিং, বারী পিঁয়াজ-১সহ বিভিন্ন জাতের পিঁয়াজের চাষ করা হয়।